ব্রেকিং
news icon শাপলা চত্বরে ১১ দলের চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের প... news icon গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে বিকল্প পরিকল্পনা দিন, ব... news icon ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে বাংলাদেশিসহ ৯৬ অভিবাসনপ্রত্যাশ... news icon নীলফামারীতে ‘সাপের ছোবলে’ শিক্ষার্থীর মৃত্যু news icon নিজ বাড়ি থেকে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, কন্যাসহ সংগীতশি... news icon চলে যাওয়ার চার বছর, গানের কথায় আজও অমর গাজী মাজহার... news icon শিল্পায়নে নারীর অংশগ্রহণ বাড়িয়ে উৎপাদন সক্ষমতা... news icon প্রকাশ্যে লোকসংগীতশিল্পীকে গুলি করে হত্যা news icon কিউবায় প্রেসিডেন্টের পর অর্থনীতির উপর নতুন মার্কিন... news icon প্রতিমন্ত্রী অমিতের বাড়িতে হামলার অভিযোগে আটক ১ news icon ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় স্ত্রীর হাতে স্বামী নিহত news icon বগুড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জমিতে নামল প্রতিমন্ত্রীর গ... news icon নটি বয়ের উৎক্ষেপন, মহাকাশে ভারতের নতুন সাফল্য news icon ফেনীতে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ news icon রাজধানীর রূপনগরে টিনশেড ঘরে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ news icon ভিসা দালাল থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান ভারতের news icon শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ড: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ছায়া... news icon শাপলা চত্বর হত্যা: শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের জন্য পত্র... news icon সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের সম্পদ ক্রোক, হিসাব অ... news icon নাটক-সিনেমায় নিরাপত্তা দিতে সরকারকে আইনি নোটিশ news icon ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের রায় আগামী সপ্তাহে হতে পারে:... news icon শাহজালাল বিমানবন্দরে দুবাই ফেরত ফ্লাইটে মিলল ২০ কো... news icon পোশাক খাতের অভিজ্ঞতা প্রসাধনী শিল্পেও প্রয়োগের আহ্... news icon সাকিবকে আবারও দলে ফেরাল আটলান্টা ফায়ার news icon নেপালের বন্যায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ news icon নাশকতার ‘গোপন তথ্যে’ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদ... news icon বেশি দামে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হচ্ছে সরকার: বিদ্যু... news icon ‘জাদুকরী প্রতিভা’ মেসির অবসরে ইনফান্তিনোর আবেগঘন শ... news icon জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পুরোহিতদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময... news icon ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের পাঠ্যবই কিনতে ৭৩৯ কো...

চলে যাওয়ার চার বছর, গানের কথায় আজও অমর গাজী মাজহারুল আনোয়ার

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম

Ajker Patrika

চলে যাওয়ার চার বছর, গানের কথায় আজও অমর গাজী মাজহারুল আনোয়ার

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম

সংযুক্ত ছবি

গাজী মাজহারুল আনোয়ার ছবি: ফাইল ছবি

নিজের লেখা গীতিকবিতায় মানবজীবনের প্রায় সব অনুভূতিকেই তুলে এনেছেন তিনি। দেশ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য যেমন তার গানে উঠে এসেছে, তেমনি জীবনবোধ, মানবতা, প্রেম, বিরহ ও মানুষের নানা আবেগও স্থান পেয়েছে তার অমর সৃষ্টিতে।

বাংলা গানের সেই কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে হারানোর দিন শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর)।
১৯৪৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার তালেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।
১৯৬৪ সালে তৎকালীন রেডিও পাকিস্তানে গান লেখার মাধ্যমে পেশাদার গীতিকার হিসেবে তার পথচলা শুরু।


দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি লিখেছেন ২০ হাজারেরও বেশি গান। তার সৃষ্টিতে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম, প্রকৃতি, জীবনবোধ, প্রেম, বিরহ, স্নেহ ও মানুষের নানা অনুভূতি।

১৯৬২-৬৩ সালে মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় গাজী মাজহারুল আনোয়ার তার প্রথম গান ‘বুঝেছি মনের বনে রং লেগেছে’ লেখেন। গানটির সুর করেছিলেন নাজমূল হুদা বাচ্চু এবং কণ্ঠ দিয়েছিলেন শিল্পী ফরিদা ইয়াসমিন। এরপর ১৯৬৪ সালে রেডিও পাকিস্তানে গান লিখে ৫০ টাকা পারিশ্রমিক পাওয়ার মধ্য দিয়ে পেশাদার গীতিকার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে তার কর্মজীবন শুরু হয়।

১৯৬৫ সালে চলচ্চিত্রে যুক্ত হওয়ার পর গান লেখার পাশাপাশি চিত্রনাট্য, সংলাপ ও কাহিনী রচনাতেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই বিভিন্ন অঙ্গনে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

সুভাষ দত্তের ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ চলচ্চিত্রের ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’ গানটি দিয়ে চলচ্চিত্রে গীতিকার হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে গীতিকার পরিচয়ের পাশাপাশি সফল কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেন তিনি।

তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দেশ চিত্রকথা থেকে ‘শাস্তি’, ‘স্বাধীন’, ‘শর্ত’, ‘সমর’, ‘শ্রদ্ধা’, ‘ক্ষুধা’, ‘স্নেহ’, ‘তপস্যা’, ‘উল্কা’, ‘আম্মা’, ‘পরাধীন’, ‘আর্তনাদ’, ‘পাষাণের প্রেম’ ও ‘এই যে দুনিয়া’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সৃষ্টির ব্যাপ্তি ও জনপ্রিয়তার অন্যতম প্রমাণ বিবিসির জরিপে সর্বকালের সেরা ২০ বাংলা গানের তালিকায় তার লেখা তিনটি গানের স্থান পাওয়া। গানগুলো হলো- ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল’ এবং ‘একবার যেতে দে না আমায় ছোট্ট সোনার গাঁয়’।

গীতিকার হিসেবে সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। ২০০২ সালে অর্জন করেন একুশে পদক। এছাড়া ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট স্বর্ণপদক, এস এম সুলতান স্মৃতি পদক, একাধিকবার বাচসাস পদকসহ জীবদ্দশায় পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা।

বাংলা গানের ভাণ্ডারে অসংখ্য কালজয়ী সৃষ্টি রেখে গেছেন এই কিংবদন্তি। তাই তার শারীরিক অনুপস্থিতির চার বছর পরও তার লেখা গান বাঙালির হৃদয়ে বেঁচে আছে, বেঁচে থাকবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।

গাজী মাজহারুল আনোয়ার ছবি: ফাইল ছবি
গাজী মাজহারুল আনোয়ার ছবি: ফাইল ছবি

নিজের লেখা গীতিকবিতায় মানবজীবনের প্রায় সব অনুভূতিকেই তুলে এনেছেন তিনি। দেশ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য যেমন তার গানে উঠে এসেছে, তেমনি জীবনবোধ, মানবতা, প্রেম, বিরহ ও মানুষের নানা আবেগও স্থান পেয়েছে তার অমর সৃষ্টিতে।

বাংলা গানের সেই কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে হারানোর দিন শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর)।
১৯৪৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার তালেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।
১৯৬৪ সালে তৎকালীন রেডিও পাকিস্তানে গান লেখার মাধ্যমে পেশাদার গীতিকার হিসেবে তার পথচলা শুরু।


দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি লিখেছেন ২০ হাজারেরও বেশি গান। তার সৃষ্টিতে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম, প্রকৃতি, জীবনবোধ, প্রেম, বিরহ, স্নেহ ও মানুষের নানা অনুভূতি।

১৯৬২-৬৩ সালে মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় গাজী মাজহারুল আনোয়ার তার প্রথম গান ‘বুঝেছি মনের বনে রং লেগেছে’ লেখেন। গানটির সুর করেছিলেন নাজমূল হুদা বাচ্চু এবং কণ্ঠ দিয়েছিলেন শিল্পী ফরিদা ইয়াসমিন। এরপর ১৯৬৪ সালে রেডিও পাকিস্তানে গান লিখে ৫০ টাকা পারিশ্রমিক পাওয়ার মধ্য দিয়ে পেশাদার গীতিকার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে তার কর্মজীবন শুরু হয়।

১৯৬৫ সালে চলচ্চিত্রে যুক্ত হওয়ার পর গান লেখার পাশাপাশি চিত্রনাট্য, সংলাপ ও কাহিনী রচনাতেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই বিভিন্ন অঙ্গনে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

সুভাষ দত্তের ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ চলচ্চিত্রের ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’ গানটি দিয়ে চলচ্চিত্রে গীতিকার হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে গীতিকার পরিচয়ের পাশাপাশি সফল কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেন তিনি।

তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দেশ চিত্রকথা থেকে ‘শাস্তি’, ‘স্বাধীন’, ‘শর্ত’, ‘সমর’, ‘শ্রদ্ধা’, ‘ক্ষুধা’, ‘স্নেহ’, ‘তপস্যা’, ‘উল্কা’, ‘আম্মা’, ‘পরাধীন’, ‘আর্তনাদ’, ‘পাষাণের প্রেম’ ও ‘এই যে দুনিয়া’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সৃষ্টির ব্যাপ্তি ও জনপ্রিয়তার অন্যতম প্রমাণ বিবিসির জরিপে সর্বকালের সেরা ২০ বাংলা গানের তালিকায় তার লেখা তিনটি গানের স্থান পাওয়া। গানগুলো হলো- ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল’ এবং ‘একবার যেতে দে না আমায় ছোট্ট সোনার গাঁয়’।

গীতিকার হিসেবে সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। ২০০২ সালে অর্জন করেন একুশে পদক। এছাড়া ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট স্বর্ণপদক, এস এম সুলতান স্মৃতি পদক, একাধিকবার বাচসাস পদকসহ জীবদ্দশায় পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা।

বাংলা গানের ভাণ্ডারে অসংখ্য কালজয়ী সৃষ্টি রেখে গেছেন এই কিংবদন্তি। তাই তার শারীরিক অনুপস্থিতির চার বছর পরও তার লেখা গান বাঙালির হৃদয়ে বেঁচে আছে, বেঁচে থাকবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত