নিউজ

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের কাণ্ড: শিক্ষক না দুর্বৃত্ত?

*শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্যের দৃষ্টান্ত
*প্রায় পাঁচ মিনিটে ৩০ বার গালি ও নোংরা ভাষার ব্যবহার
*টেলিফোন কথোপকথন স্যোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল
*শিক্ষক, অভিভাবক মহলে তীব্র অসন্তোষ

।। সুরমা ডেস্ক ।।
লণ্ডন, ২৯ জুলাই : বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের অধক্ষের একটি ফোনালাপ আলোচনার ঝড় তুলেছে। পাকিস্তান আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী স্যার ফিরোজ খান নুন তাঁর বিদূষী পত্নী লেডি ভিকারুন্নেসা নুনের অনুরোধে বিলাতের গ্রামের স্কুলের আদলে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। দক্ষিণ এশিয়ার এই নামজাদা প্রতিষ্ঠান গত অর্ধ শতাব্দীর বেশি সময়  তার ঐতিহ্য ধরে রাখতে সক্ষম হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা ব্যাপক হুমকির সম্মুখীন। ঢাকার বিতর্কিত রাজনীতিক ডা. ইকবালকে ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠানটির কতৃত্বে বসানোর পর থেকেই এই প্রতিষ্ঠান ঢাকার তৃতীয় শ্রেণীর রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বাণিজ্যের কেন্দ্রে পরিণত হয়। বিতর্কের ধারায় সর্বশেষ যোগ হলো অধ্যক্ষ পদে বসে থাকা প্রশাসন ক্যাডারের এক মহিলা কর্মকর্তার নজিরবিহীন অসামাজিক সন্ত্রাসী কথোপকথন। রীতিমতো ভয়াবহ। তার এই কান্ড কারখানায় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে -তিনি কি শিক্ষক না দুর্বৃত্ত?  তবে এটা নতুন নয়। রাজনীতিক নামধারী লোকদের হাতে কতৃত্ব যাবার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সময় নানা কারণে আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছে। শিক্ষার ম্যান হারিয়েছে বলে অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা। রাজনৈতিক আস্কারা পাওয়ায় পরিমল নামে শিক্ষক নামের আরেক কলঙ্ক দিনের পর দিন ছাত্রীদের শ্লীলতাহানী চালিয়ে এখন কারাগারে বিচারাধীন। কিছুদিন আগেও ভর্তিবাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলো ওই প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কামরুন নাহার মুকুলের একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি নতুন করে আলোচনায় আসে। কিছুদিন আগে সিলেটের এমসি কলেজে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের ধর্ষণ এবং সম্প্রতি ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের এই অশালীন কথোপকথনসহ রাজনৈতিক বলয় ব্যবহার করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া অনৈতিক ঘটনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্যেরই নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত বা বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করেন সচেতন মহল। ভিকারুননিসার অভিভাবক ফোরামের একজন নেতার সঙ্গে যে অকথ্য ভাষায় অধ্যক্ষ কথা বলেছেন, সেটা কোনোভাবেই তার পদ ও অবস্থানের সঙ্গে যায় না বলে মনে করছেন সচেতন মানুষেরা। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের মুখে এমন অকথ্য ও অশ্রাব্য গালি এবং কুরুচিপূর্ণ কথা অভিভাবকমহলসহ যারাই শুনেছেন তাদেরকে অবাক করেছে। এমনকি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকরা পর্যন্ত এই ফোনালাপে হতবাক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, একজন অধ্যক্ষের ভাষা এতটা নিম্নমানের হলে তার কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা কী শিখবে!

রাজধানীর প্রথম সারির এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আগেও নানা কারণে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছে। ২০১৮ সালে অরিত্রী অধিকারী নামে প্রতিষ্ঠানটির নবম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। পরে জানা যায়, পরীক্ষা চলার সময় অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পাওয়ার গিয়েছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে সে নকল করেছে এমন অভিযোগ তুলে ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবককে ডেকে পাঠায় ভিকারুননিসা কর্তৃপক্ষ। অরিত্রীর মা-বাবাকে কর্তৃপক্ষ অপমান করে বলে অভিযোগ ওঠে। তাকে ছাড়পত্র নিয়ে যেতেও বলা হয়। অপমানে বাড়ী গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেয় এই শিক্ষার্থী।
 এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। সেই ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি এখনও বিচারাধীন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় ভর্তি বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগে সংবাদের শিরোনাম হয়েছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যা- কলেজ।
 গত ঈদুল আজহায় কলেজ প্রাঙ্গণে গরুর হাট বসিয়ে অনিয়মেরও অভিযোগ ওঠে ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে ১৯ জুলাই ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অভিভাবকরা অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করে সংবাদ সম্মেলনও করেন।
 সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই অধ্যক্ষ কামরুন নাহার মুকুলের অকথ্য ভাষার একটি ফোনালাপ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এতে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। যদিও অধ্যক্ষ দাবি করছেন, ফোনালাপটি সুপার এডিট। একটি চক্র তাকে বিতর্কিত করতে ষড়যন্ত্র করছে।

জানা গেছে, আলোচিত ফোনালাপটি ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ ও অভিভাবক ফোরামের নেতা মীর সাহাবুদ্দিন টিপুর মধ্যে হয়েছে। গণমাধ্যমের কাছে অধ্যক্ষের সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়টি মীর সাহাবুদ্দিন টিপু স্বীকার করেছেন।
চার মিনিট ৩৯ সেকে-ের অডিওতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ও অভিভাবক ফোরামের কাউকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে শোনা যায়।
অডিওতে নারী কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে, ‘আমি কিন্তু গুলি করা মানুষ। রিভলবার নিয়া ব্যাগের মধ্যে হাঁটা মানুষ। আমার পিস্তল বালিশের নিচে থাকত।’ তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে ‘দা’ দিয়ে কোপানোর হুমকির কথাও শোনা গেছে ওই অডিও ক্লিপে।
উল্লেখ্য  গত ১০ জুন অভিভাবক ফোরামের নেতা মীর সাহাবুদ্দিন টিপুর সঙ্গে অধ্যক্ষের এই কথোপকথন হয়। টিপু বলেন গনমাধ্যমকে বলেন, ১০ জুন অধ্যক্ষকে ফোন করা হলে তিনি উত্তেজিত হয়ে নানা কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্যকে উদ্দেশ্য করে গালাগালি করেন।

ভাইরাল হওয়া ফোনালাপের পুরো অংশ:
কামরুন নাহার : লকডাউনের মধ্যে আমি অফিস করি কি না করি কার বাপের কী? কোন … শুয়োরের বাচ্চার কিছু যায় আসে?
টিপু : না …।
কামরুন নাহার : কোন শুয়োরের বাচ্চার যায় আসে কিছু? যদি আমি অফিস না করি? আমি জানতে চাই, কোন খানকির পোলার কী যায় আসে?
টিপু : এইডি তো আপনার জিবির (গভর্নিং বডি) লোক।
কামরুন নাহার : কোন খানকির পোলার কী যায় আসে? আমি রাজনীতি করা মেয়ে, আমি কিন্তু ভদ্র না।
টিপু : না…।
কামরুন নাহার : আমি বলে দিলাম, আমি শিক্ষক। আমি প্রিন্সিপাল। আমি সেই দিকটায় আলাদা পরিচয়।
টিপু : এইডি তো আপনের…।
কামরুন নাহার : ওই খানকির পোলা যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু তার গোষ্ঠী উদ্ধার করে ছাড়ব।
টিপু : না, আপনের বোধহয় ওই যে জিবির মেম্বারে এইগুলা ছড়ায় কি না দেখেন।
কামরুন নাহার : কোন মেম্বার আর কোন মার ভাতার আমার দেখার কিন্তু বিষয় না। কোনো শুয়োরের বাচ্চা যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু ওর পেছনে লাগব। আমি শুধু ভিকারুন্নিসা না, আমি দেশছাড়া করব।
টিপু : ঠিক আছে আপা। এইটা ভালো।
কামরুন নাহার : এবং আমি অনেক সহ্য করেছি। এই কালকে সচিবের কাছে বলে এসেছি। সচিব বলেছে, মন্ত্রী তোমাকে খুব ভালোবাসে। তুমি এই জায়গায় থাকবা। আমি বলেছি, স্যার…। …তুমি এইখানে থাকবা, তুমি যোগ্য, মন্ত্রী তোমাকে পছন্দ করেছে।
টিপু : আইচ্ছা।
কামরুন নাহার : আর কোনো শুয়োরের বাচ্চা তদন্ত কমিটি করলে আমি কিন্তু দা দিয়ে কোপাবো তারে, সোজা কথা।
টিপু : হা হা হা।
কামরুন নাহার : আমার দল আছে। আমার বাহিনী আছে। আমার ছাত্রলীগ আছে, আমার যুবলীগ আছে, আমার যুব মহিলা লীগ আছে।
টিপু : আফনে আবার…।
কামরুন নাহার : কিন্তু কিচ্ছু লাগবে না। কাপড় খুইলা রাস্তার মধ্যে পিটাব।
টিপু : আফনে আবার আগের চরিত্রে চইলা যাবেন মুকুল আফা। হা হা…।
কামরুন নাহার : হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ যাব। যাব। আমি কিন্তু একদম, আমি কিন্তু গুলি করা মানুষ। রিভলবার নিয়া ব্যাগের মধ্যে হাঁটা মানুষ। আমার পিস্তল বালিশের নিচে থাকত। সারারাত পিস্তল আমার বালিশের নিচে থাকত। আমি কিন্তু…
টিপু : আমি নাজমারে (যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার) ফোন করে কইতাসি মুকুল আফা চেইতা গেসে তুমি থামাও। তোমার জিএসরে (হাসি)।
কামরুন নাহার : হ্যাঁ। নাজমা আমারে বলসে। যে কেউ তরে ডিস্টার্ব করলে আমারে খালি বলিস। আমার নাজমাও লাগবে না। নাজমার গ্রুপের শুধু মেয়ে আমারে কালকে, আমারে পরশু দিন অফিসে বসছিল, পরে আমারে বলতেছে আপা, আসবেন আমরা কাপড় খুইলা রাস্তার মধ্যে রাইখা পিটাব তারে। তার এত বড় দুঃসাহস আপনার বিরুদ্ধে কথা বলে, আর আপনাকে ডিস্টার্ব করে। ঘরের থেকে টাইনা বাইর কইরা রাস্তার মধ্যে পিটাইয়া কাপড় খুইলা ফেলাব। আমার সম্পর্কে লেখে, আমার ঢাকা পতেঙ্গা ফেয়ারেল গলিতে চাইনিজ খাবার খাওয়াইসি। আর আমার সম্পর্কে লেখে, প্রিন্সিপাল অফিস করে না। কোন কুত্তার বাচ্চার মায়ের কোনে লিখেছি আমি। আমি আমার অফিস করি সচিবকে বইলা। করোনার মধ্যে, করোনার মধ্যে এই। করোনার মধ্যে আমার বারান্দার অফিসে আমি দরজা খুলে বসে থাকি, আমার চেয়ার টেবিল নিয়ে। আমি অফিসে গিয়ে রাউ- দিয়ে চলে আসি কর্মচারীরা ঠিকমতো আছে কি না। করোনার মধ্যে অফিসের নিয়ম নাই। আমাকে নিষেধ করছে, সারা বাংলাদেশ যে করোনার মধ্যে তোমরা লকডাউনের মাঝে অফিস খোলা রাখবে না, তাহলে করোনা ছড়াবে। কোন কুত্তার বাচ্চার কী যায় আসে? কোন শুয়োরের বাচ্চার কী যায় আসে? আমি অফিসে না গেলে মাগীর বাচ্চারা শুয়োরের বাচ্চারা কি আমার জায়গাটায় মজা পায়? কোন শুয়োরের বাচ্চারা চায় যে আমি অফিসে বইসা অফিস করি, তাদের অফ করেন। … খানকির পোলা মাগি শুয়োরের বাচ্চা।
টিপু : ঠিক আছে আপা।
কামরুন নাহার : আমি রাজনীতি করা মেয়ে।
টিপু : আমি তো আছি, আফনে এত…।
কামরুন নাহার : আমি কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারে আসছি বলে কিন্তু…।
টিপু : আফনের চাইর নাম্বার গেইটের অপজিটে হইল আমার বাসা। এত চিন্তা করেন ক্যান? আমার দুই মিনিট লাগব যদি বসুন্ধরা…।
কামরুন নাহার : আমি কোনো চিন্তা করি না। কারণ, আমি নিজেই শক্তিশালী। কোনো খানকি মাগির কথায় আমি চলি না। কোনো.শুয়োরের বাচ্চার কথায় আমি চলি না। আমি নিজেই কিন্তু শক্তিশালী। দলটার আমি প্রেসিডেন্ট ছিলাম। মনে রাইখেন এই দলটা এখন সরকারে। যতদিন এই দলটা আছে ততদিন আমার পাওয়ার আছে। আমি কিন্তু কুত্তার বাচ্চাদের  রাস্তার মইধ্যে লেংটা করে পিটাইতে পারব। আমার লাগবে না আমার দলের মেয়েদের ডাকলে দলের ছেলেও লাগব না। মেয়েরাই ওর চুল-দাড়ি ছিঁইড়া প্যান্ট খুলে নামাইয়া দিবে। আমার সম্ভবত তিন সপ্তাহ যেন দাঁড়াতে সাহস না পায়। আমি কিন্তু কোনো অন্যায়ের সাথে বসবাস করি না, এইডা মনে রাইখেন।
টিপু : তয় নাসির যে…।
কামরুন নাহার : আমার নামে যে লেখে ..কুত্তার বাচ্চারে আমি অনেক সহ্য করছি।
টিপু : তয় নাসির যে…।
কামরুন নাহার : সচিব স্যারকে বলছি, অসভ্যরা আমার পেছনে লাগে, আমারে আপনি ঢাকা বোর্ডে পোস্টিং দিয়ে দেন। স্যার বলছে, মন্ত্রী তোমাকে পছন্দ করে। আমাকে যেহেতু ধরতে গেলে থাকতেই হবে তাহলে কুত্তার বাচ্চাদের সাথে লইড়াই আমি থাকব।
টিপু : না… এখন ঘটনা হইছে নাসির যে এত চিল্লাচিল্লি করল আপনি নাসিররে কিছু কইলেন না ক্যান?
কামরুন নাহার : কোনো নাসির ফাসির আমি চিনি না। নাসিররে কী বলব সেটা আমি বুঝি। কেউ যেন আমার পেছনে লাগে না আপনি নিষেধ কইরে দিয়েন। আপনার সঙ্গে যারাই বলবে নিষেধ করে দিবেন।
টিপু : না, তা তো বলবই। আফনে রোববারে ইস্কুলে আইলে আমারে একটু ফোন কইরেন।
কামরুন নাহার : স্কুল করব কি না করব তা আমার এখতিয়ার, আমি বসব কি না বসব। আমি সচিবকে বলছি, সচিব স্যার- আমি বাসায় বসে অফিস করি। বলে, যে তোমার বাসাটা দেওয়া হইসে বাসায় বইসা অফিস করবা। যখন সুবিধা অফিসে যাবা এখন করোনার মধ্যে। তুমি এই নিয়া চিন্তা কইরো না। বলে আমরাও তো অফিস করি না মাসে একবার-দুবার আসি জরুরী মিটিং থাকলে। আর কুত্তার বাচ্চারা সারাক্ষণ কয় আমি অফিসে যাই না, অফিসে যাই না। (অস্পষ্ট)

একটি কথোপকথনের পোষ্টমর্টেম:
কামরুন নাহার মুকুল। ভিকারুননিসা নূন স্কুল এ- কলেজের প্রিন্সিপাল। যিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার কথা বলছেন। ৪ মিনিট ৩৯ সেকে-ের কথোপকথনে তার সাংস্কৃতিক মান দেখুন!
শুয়ারের বাচ্চা- ৯ বার
খানকির পোলা- ৩ বার
মাগির বাচ্চা- ২ বার
খানকি মাগি- ১ বার
কুত্তার বাচ্চা- ৯ বার
কোপাবো- ২ বার
মায়ের ভাতার- ১ বার
কাপড় খুইলা রাস্তার মধ্যে রাইখা পেটাবো-১ বার
ল্যাংটা করে পেটাবো-১ বার
চুল দাড়ি প্যান্ট খুইলা নামাই দিবো -১ বার
মোট=৩০

সম্পরকিত প্রবন্ধ

Back to top button
Close
Close