নিউজ

জেরেমি করবিনকে নিয়ে টুইটার পোল এর জরীপ: ‘বৃটেন সেরা প্রধানমন্ত্রী’ থেকে বঞ্চিত !

।। সুরমা প্রতিবেদন ।।
লণ্ডন, ৩ সেপ্টেম্বর – জেরেমি করবিন প্রধানমন্ত্রী হলে সেরা প্রধানমন্ত্রী হতেন। আর সেই সেরা প্রধানমন্ত্রীর দেখা কখনো পেলো বৃটেন — এমনটাই ওঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক টুইটার পোল জরীপে।

টাইমস রেডিওর এক পোল জরিপে দেখা গেছে, ইজলিংটন নর্থের এমপি, লেবার পার্টি নেতৃত্ব দানকারী জেরেমি করবিন প্রাক্তন লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা চার্লস কেনেডিকে ৫৭.৭ শতাংশ ভোটে পরাজিত করে সেরা নির্বাচিত হয়েছেন।
উপস্থাপক ম্যাট চর্লির “ওয়ার্ল্ড কাপ অব বেস্ট পিএমস উই নেভার হ্যাড” -এ প্রায় ১২,৩০০ ভোট পড়ে। অনলাইন পোল জরিপে করবিন তার পূর্বসূরীদের মধ্যে এড মিলিবা- এবং জন স্মিথের পাশাপাশি সাবেক লিবডেম নেতা প্যাডি অ্যাশডাউন এবং কনজারভেটিভ পার্টির প্রাক্তন চ্যান্সেলর কেন ক্লার্ককে পরাজিত করেছেন।

গত ৩১ আগস্ট, সোমবার ফাইনালের আগে টাইমস রেড বক্সের ইমেল ব্রিফিংয়ে লিখতে গিয়ে উপস্থাপক চর্লি বলেছেন: “এটি এমন একটি শিরোনাম যা সত্যিই অনেকে খুব বেশি পছন্দ করে। আসলে একজন প্রধানমন্ত্রী হওয়া, এমনকি খারাপ হলেও না হওয়ার চেয়ে হওয়া অবশ্যই ভালো।
তিনি আরো বলেন, ‘সেরা প্রধানমন্ত্রী আমরা কখনো পাইনি’ এমন একটি খেতাবের বিষয় বহুবছর ধরে প্রচুর লোকের ভাবনায় ছিলো। তাই একটি ব্যাঙ্ক ছুটির দিনের সপ্তাহ হিসাবে, আমি পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে দেখি, কোনো একক ব্যক্তি সম্পর্কে আমরা একমত হতে পারি কিনা। যদি সম্ভব হয়।

প্রবীণ বামপন্থী রাজনৈতিক করবিন ২০১৫ সালে লেবার নেতা নির্বাচিত হওয়ার ফলে দল পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক মৌলিক পরিবর্তন সাধিত হয়।
তিনি দুটি সাধারণ নির্বাচনের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যার মধ্যে শেষ পর্যন্ত দেখা যায় দলটির প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের “লাল প্রচীর” টুরির আগ্রাসনে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে নীলে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচনে দলকে জেতাতে না পারলেও এখনো সাধারণে চরম যুদ্ধবিরোধী, মানবতাবাদী হিসেবে বিশ্বে নন্দিত ও আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জেরেমি করবিন। ব্যাকবেঞ্চার থেকে ওঠে এসেছে লেবার পার্টির নেতৃত্বে আসীন হয়ে আরো বড় এক চমক সৃষ্টি করে ব্যাপক আলোচিত হন। স্বীয় পার্টির আভ্যন্তরীণ নানা ষড়যন্ত্র, কর্পোরেট বাণিজ্যিক সংস্থা ও কট্টর ডানপন্থী মিডিয়ার নানাভাবে প্রোপাগা-া সত্ত্বেও উদ্যম গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন বৃটেনকে নেতৃত্ব দেওয়ার পথে। কিন্তু অবশেষে থাকে থামতে হলো। গত নির্বাচনে দলের পরাজয়ের দায় নিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি। – সূত্র: ইভিনিং স্ট্যা-ার্ড।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

Back to top button
Close
Close