নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় সব বাহিনীতে আতঙ্ক

সরকারের সকল পর্যায়ে চরম অস্থিরতা
বেনজিরের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে নিষেধাজ্ঞার বজ্রপাত
সেনাপ্রধানকে ডেকে পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনায় পুলিশ এসোসিয়েশন
মানবাধিকার প্রশ্নে রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ার অবস্থানে বাংলাদেশ

|| সুরমা প্রতিবেদন ||
লণ্ডন, ১৮ ডিসেম্বর : বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি থেকে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ১৫ ব্যক্তি ও ১০ প্রতিষ্ঠানকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে। এলিট ফোর্স র‌্যাব ও তার বর্তমান ও সাবেক প্রধানদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত হাসিনা সরকারের জন্য রেড অ্যালার্ট হিসেবে বিবেচনা করছে অভিজ্ঞ মহল। এই বাহিনী সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে পরিচালিত হয় এবং গত ১৩ বছরে র‌্যাবের হাতে গুম, খুন ও অপহরণসহ ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো অসংখ্যবার আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে উত্থাপন করেছে।

মানবধিকার লংঘনকারী সেসব অফিসার

জাতিসংঘের মানবাধিকার ফোরামেও এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে সরকার কোনো জবাব দিতে পারেনি। বরং এবারের মতোই ওইসব অভিযোগকে সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ ও অন্যান্য বৈশ্বিক ফোরামে মানবাধিকার প্রশ্নে হাসিনা সরকারের অবস্থান এখন শূন্য বলেই মনে করছে সকল কতৃপক্ষ। রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ার মতো অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশকে এইদেশগুলোর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, ১০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওই নিষেধাজ্ঞার পর  প্রায় সবগুলো নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তাদের মধ্যে নিষেধাজ্ঞার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বাহিনীর বহুল আলোচিত কিছু কর্মকর্তা (ব্রিগেডিয়ার জিয়া, পুলিশের এডিশনাল আইজিপি মনিরুল ইসলাম প্রমুখ) বিভিন্ন সময়ে এই বাহিনীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের তালিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে রয়েছে এবং তাদের ভ্রমণের উপরে এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হয় করা হচ্ছে। নিরাপত্তা সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার মানে সরকারের উপর এক ধরনের নিষেধাজ্ঞা। এর প্রভাব নানাভাবে পড়তে পারে। বিশেষ করে অস্ত্র-প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত যেসব চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে রয়েছে সেটা অবশ্যই এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে বলে একজন সামরিক বিশ্লেষক তার মতামত দিয়েছেন। তিনি  আরো বলছেন, সামরিক বাহিনীর যেসব কর্মকর্তা এখন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে কাজ করছেন আগে র‌্যাবে তাদের ভূমিকার কারণে পর্যায়ক্রমে তারা ওই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, বর্তমান পুলিশ প্রধান ও সাবেক র‌্যাব প্রধান বেনজির আহমেদ নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তটি পান তার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে। ১০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে শহরের সকল ভিভিআইপি উপস্থিতিতে এই খবর অনুষ্ঠানস্থলে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তে ওই অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় রীতিমতো এক শোকসভায়।

এদিকে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের পৃথক দুটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা জন্য বাংলাদেশের বর্তমান সেনাপ্রধানকে যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে অথবা জানানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই সফরকে অনেকে সেনাপ্রধানকে তলব অথবা ডেকে পাঠানো বলেও মনে করছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.মোমেন ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ডেকে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই প্রতিবাদকে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাস ও মানবাধিকার প্রশ্নে বাংলাদেশের অনমনীয় অবস্থান হিসেবে গ্রহণ করছেন বলে ওয়াশিংটনে বাইডেন প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছেন। এই অবস্থা শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত কূটনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে বাইডেন প্রশাসন ১০ ডিসেম্বর থেকে প্রথম গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ না জানিয়ে এই পরিস্থিতির আগাম ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলো। দুই সপ্তাহের মধ্যে আরো ঘটে পুলিশ প্রধান বেনজিরকে যুক্তরাষ্ট্র যাবার পথে দুবাই থেকে ফেরত পাঠানো,সদ্য সাবেক সেনা প্রধান জেনারেল আজিজের ভিসা বাতিল ও সর্বশেষ চরম বিতর্কিত পদত্যাগী মন্ত্রী ড. মুরাদকে কানাডা ও দুবাই ঢুকতে না দেয়া। এইসব বেবস্থা, নিষেধাজ্ঞা ও আগামীতে সম্ভাব্য কূটনৈতিক টানাপোড়েনের পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সকল পর্যায়ে এখন চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে নিশ্চিত করছেন, বেসামরিক প্রশাসনের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা।

পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের প্রতিবাদ
বাংলাদেশ পুলিশের প্রধান বেনজীর আহমেদসহ সাত কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্রে নিষেধাজ্ঞায় বিরোধীদের ষড়যন্ত্র বলে অ্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। লবিস্ট নিয়োগ করে এই নিষেধাজ্ঞা দেয়ানো হয়েছে বলেও মনে করে তারা।

সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানায়। এতে বাংলাদেশ পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদসহ র‌্যাব কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায় সংগঠনটি।  

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এমন আকস্মিক একতরফা সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য মর্মাহত ও বিব্রত বলে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ বিরোধী একটি চক্র, যারা বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে বিব্রত করতে চায়, দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বাধাগ্রস্ত করতে চায়; তারাই আন্তর্জাতিক লবিস্ট গ্রুপের সহায়তায় ভুল, মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সরবরাহ করে বাংলাদেশের প্রকৃত অবস্থাকে গোপন করে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাবিত করেছে।

সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানায়। এতে বাংলাদেশ পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদসহ র‌্যাব কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায় সংগঠনটি।  যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এমন আকস্মিক একতরফা সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য মর্মাহত ও বিব্রত বলে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। যেখানে আরও বলা হয়, যেকোনো দেশের উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। বাংলাদেশ পুলিশ বাংলাদেশের প্রধান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশ দেশের গণমানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সন্ত্রাসবাদ দমন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে আইনের শাসন, মানবাধিকার সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক প্রটোকল ও কনভেনশন প্রতিপালন এবং স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রকৃত তথ্য ও অবস্থা মূল্যায়ন করে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং বাংলাদেশ পুলিশের চলমান আন্তঃদেশীয় সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কার্যক্রমকে বেগবান করতে সহায়তা করবে বলে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন প্রত্যাশা করে।

র‌্যাব সম্পর্কে যা বলা হয়েছে রিপোর্টে—“বাংলাদেশে গুরুতর মানবাধিকার অপব্যবহার—র‌্যাব” শিরোনামে রিপোর্টে বলা হয়েছে, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) কর্তৃক বাংলাদেশে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিস্তৃত অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের” মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের” নামে আইনের শাসন এবং মানবাধিকার ও বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনী ব্যর্থতার মাধ্যমে এই বাহিনী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে।

র‌্যাব হল একটি যৌথ টাস্ক ফোর্স যা ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং বর্ডার গার্ডদের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হয়। এর ম্যান্ডেটে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, অপরাধমূলক কার্যকলাপ সম্পর্কিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং সরকার-নির্দেশিত তদন্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার ও বেসরকারি সংস্থা অভিযোগ করেছে যে র‌্যাব এবং অন্যান্য বাংলাদেশী আইন প্রয়োগকারীরা ২০০৯ সাল থেকে ৬০০’রও বেশি গুম, ২০১৮ সাল থেকে প্রায় ৬০০টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং নির্যাতনের জন্য দায়ী৷ কিছু প্রতিবেদনে এই ঘটনাগুলি বিরোধী দলের সদস্য, সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীদের লক্ষ্য করে সংগঠিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।

র‌্যাবকে বাইডেন সরকারের নির্বাহী আদেশ নাম্বার ১৩৮১৮( ১০ ডিসেম্বর ২০২১ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ব গণতন্ত্র সম্মেলনের প্রথম দিনে ঘোষণা করা হলো) এর অধীনে মনোনীত করা হয়েছে। এ নির্বাহী আদেশ অনুসারে চিহ্নিত প্রতিষ্ঠান র‌্যাব’এর  যেসব কর্মকর্তাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে তারা হলেন: 
০১। চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, (বর্তমান মহাপরিচালক, র‌্যাব; ১৫ এপ্রিল, ২০২০ থেকে)০২। বেনজির আহমেদ, (প্রাক্তন মহাপরিচালক, র‌্যাব, জানুয়ারী ২০১৫ থেকে ১৪ এপ্রিল, ২০২০)০৩। খান মোহাম্মদ আজাদ, (অতিরিক্ত মহাপরিচালক অপারেশনস, র‌্যাব, ১৬ মার্চ, ২০২১ থেকে) ০৪। মোস্তফা সরওয়ার, (সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক অপারেশনস, র‌্যাব, ২৭ জুন, ২০১৯ থেকে ১৬ মার্চ, ২০২১)০৫। মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, (সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক -অপারেশনস, র‌্যাব, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ থেকে ২৭ জুন, ২০১৯)০৬। মোহাম্মদ আনোয়ার লতিফ খান, (সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ,অপারেশন্স, র‌্যাব, এপ্রিল ২৮, ২০১৬ থেকে সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৮ ) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেনজির আহমেদের মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনে জড়িত থাকার কারণে বেনজির আহমেদের উপর ওয়াই ২০২১ ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট, ফরেন অপারেশনস এবং রিলেটেড প্রোগ্রাম অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন অ্যাক্টের ধারা ৭০৩১(সি) এর অধীনে ভিসা সীমাবদ্ধতা ঘোষণা করেছে।

হিটলিস্টের আলোচনা

পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম (ছবিতে বামে) ও ব্রিগেডিয়ার জিয়াউল আহসান (সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজের ভাষ্যমতে যিনি বেশিরভাগ গুমের জন্য অভিযুক্ত ও বর্তমানে টেলিফোনে আড়িপাতা কর্তৃপক্ষের ডিজি’র দায়িত্বে আছেন)। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় তাদের নাম না থাকায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তবে ঘোষিত তালিকার সম্ভাব্য পরবর্তী ধাপগুলোতে আরও বেশ কয়েকজন কর্তাব্যক্তি (নিরাপত্তা বাহিনী, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক) এই তালিকায় আসতে পারেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি সরকারি সূত্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

Back to top button
Close
Close