বাংলাদেশ

দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের মানববন্ধন

সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই: মির্জা ফখরুল,

ঢাকা, ৪ নভেম্বর : সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই। জনগন জেগে উঠলে আওয়ামী লীগ পালানোর পথও পাবে না বলে মন্তব্যকরেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গত ২৯ অক্টোবর, শুক্রবারজাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এ ছাড়া ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা, পাতিনেতাদের দৌরাত্ম্যে এখন আর কেউ থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন মির্জাফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, শরীয়তপুরের এমপি বলছেন আমি ঠিক করে দেব কে চেয়ারম্যান হবে আর কে মেম্বার হবে। অন্যকেউ দাঁড়াতে পারবে না,

আমরা চিন্তাই করতে পারি না ১৯৭১ সালে আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছিলাম সে গণতন্ত্রকে বঙ্গোপসাগরে ফেলে দিয়েতারা এখন একটা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছে। এরা ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। কারও সমালোচনা সহ্যকরতে পারে না। সহনশীলতা বলতে তাদের কিচ্ছু নাই, 

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আওয়ামী লীগ যে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করছে সেটার প্রতিবাদে আমরাএকটা আলোচনা সভা করেছিলাম আমাদের অফিসের সামনে তারপর সভার শেষে আমাদের ছেলেরা যখন ফিরে যাচ্ছিল তখনতাদের পেছন থেকে আক্রমণ করে পুলিশ টিয়ার শেল মেরে গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। আহত করা হয়েছে প্রায়পঞ্চাশের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করেছে অনেক দলীয় নেতাকর্মীকে উল্টো তারা আবার মামলা দিয়েছে এক হাজার ৬০০ জনেরবিরুদ্ধে। এত ভয় পায় কেন? ভয় পায় এজন্য যে তাদের পায়ের নিচে মাটি নেই। জনগণ যেদিন বের হবে রাজপথে সেদিনআপনারা পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না।

পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন আপনারা এ দেশের সন্তান। আপনারা মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থানকরবেন না। আপনারা রাষ্ট্রের একটা দলের সঙ্গে মিশে জনগণের ওপর এভাবে নির্যাতন করবেন না। এ সরকার আজ রাষ্ট্রের-জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে জনগণের পকেট কেটে আওয়ামী লীগ নিজেদের পকেট ভারী করছে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আপনারা সংগঠিত হোন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা যেন একটিদুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে পারি। আমরা অবশ্যই নির্বাচন চাই। তবে সে নির্বাচন হতে হবে একটা নিরপেক্ষ সরকারেরঅধীনে।উক্ত মানব বন্ধন অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমানএর সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েলের সঞ্চালনায়  আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ীকমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু,ডাকসুর সাবেক ভি পি ও ঢাকা মহা নগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমানউল্লাহআমান,ঢাকা মহা নগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আব্দুস সালাম,ডাকসুর সাবেক এ,জি,এস নাজিম উদ্দিনআলম,বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, ঢাকা মহা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুলইসলাম,জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি গোলাম সারোয়ার,সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিনআলী,সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ,সাদরেজ জামান,ঢাকা মহা নগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতিএস,এম জিলানী,সাধারন  সম্পাদক নজরুল ইসলাম,ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ ফকরুল ইসলামরবিন,রিয়াদুল ইসলাম রিয়াজ,গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসিবুররহমান খান মুন্না,মুন্সীগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ইদ্রিস মিয়াজি,নারায়নগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতিআবু সায়েম,ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক অভি, 

আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি আনু মুহাম্মদ শামিম,রফিক হাওলাদার,শাহাবুদ্দিন  মুন্না,আজাদ,আবুলকালাম আজাদ,আওলাদ হোসেন উজ্জল,শাহাবুদ্দিন ফারুক,যুগ্ম সম্পাদক ইলিম হোসেন,সহ সাধারণ সম্পাদক এম,জি রাসেলআহমেদ,মাহামুদুল বারী,দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সহ দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান, আব্দুল্লাহ আলমামুন,প্রচার সম্পাদক আনিসুর রহমান সুজন,স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ জাহিদুর রহমান আব্দুর রহমান সভাপতি ঢাকা জেলাস্বেচ্ছাসেবক দল, সহ কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহা নগর উত্তর ও দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দল গাজীপুর জেলা, ঢাকা জেলা,মুন্সিগঞ্জ জেলা ওনারায়ণগঞ্জ জেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

Back to top button
Close
Close