নিউজ

বাংলাদেশের কাছ থেকে দ্বিমুখী নীতি অপ্রত্যাশিত ও কষ্টের : ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত

|| তারিক চয়ন||

|| তারিক চয়ন||ইসরাইল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের ক্ষেত্রে বৈধ’- বাংলাদেশের পাসপোর্টে এই লেখাটি থেকে ‘ইসরাইল ব্যতীত’- কথাটি বাদ পড়ার খবর সমপ্রতি গণমাধ্যমে আসে। এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে ইসরাইলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের উপ-মহাপরিচালক গিলাদ কোহেন বাংলাদেশ সরকারকে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আহ্বান জানালে সচেতন মহল নড়েচড়ে বসে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন অবশ্য গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই পরিবর্তনে ইসরাইলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক পরিবর্তনের কিছু নেই। কারণ, আমরা ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিই না।’ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ইসরাইল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে এবং ইসরাইলের প্রতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবস্থানের বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও জানান, পাসপোর্টের ‘আন্তর্জাতিক মান’ রাখতে গিয়েই ওই পরিবর্তন আনা হয়েছে, এর সঙ্গে বাংলাদেশের ইসরাইল-নীতির কোনো সম্পর্ক নেই।
কিন্তু গণমাধ্যমের কাছে বাংলাদেশের পাসপোর্টে পরিবর্তনের বিষয়টিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ সালেহ ওয়াই রামাদান আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সরকার পাসপোর্টের ক্ষেত্রে তার আগের অবস্থানে ফিরে যাবে। ‘আন্তর্জাতিক মানের’ জন্যই এ পরিবর্তন আনা হয়েছে এমন বক্তব্য নিয়ে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আপনি কি বলছেন যে গত ৫০ বছর ধরে বাংলাদেশি পাসপোর্ট আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখেনি। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশ যারা পাসপোর্টে ইসরাইলের ওপর নিষেধাজ্ঞা উল্লেখ করছে তাদের পাসপোর্ট কি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নয়?’
সবমিলিয়ে পরিস্থিতি অনেকটাই ঘোলাটে। এমন পরিস্থিতিতে’র মুখোমুখি হয়েছেন রাষ্ট্রদূত ইউসুফ সালেহ ওয়াই রামাদান:
মানবজমিন: বাংলাদেশের পাসপোর্টে পরিবর্তনের বিষয়টিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলতে আপনি আসলে কি বুঝাতে চেয়েছেন?
রাষ্ট্রদূত: হ্যাঁ, আমি বিষয়টা পরিষ্কার করতে চাই। সবার এটা জানা উচিত যে বাংলাদেশ এবং ফিলিস্তিনের সম্পর্ক বেশ মজবুত।৫০ বছর ধরেই এটা মজবুত এবং সারাজীবন সম্পর্কটা এমনই থাকবে। কেউ এই সম্পর্ক নষ্ট বা এই সম্পর্কে চিড় ধরাতে পারবে না। এই সম্পর্ক কিছু নীতির উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে আর সেকারণেই সম্পর্কটা মজবুত। নতুন ই-পাসপোর্ট ইস্যু নিয়ে আমি বলবো, সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার রয়েছে যা বাংলাদেশের জনগণের লাভের কথা চিন্তা করেই গ্রহণ করা হবে। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি হিসেবে আমি আমার জনগণের পক্ষেই বলবো। এর মানে এই নয় যে আমরা দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে নষ্ট করছি। বাংলাদেশের জনগণ যতোভাবে সম্ভব ফিলিস্তিনের পক্ষে তাদের সমর্থন দেখিয়েছে। আমরা তা প্রত্যক্ষ করেছি এবং আমরা সেটা কখনোই ভুলবো না। সবসময় আমাদের তা স্মরণে থাকবে। তাই বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে এটা আমাদের একেবারেই ‘অপ্রত্যাশিত’ ছিল। আবারও বলছি এটা অপ্রত্যাশিত ছিল। সেজন্য আমি কষ্ট পেয়েছি, অবাক হয়েছি, হতাশ হয়েছি। আমি মনে করি আমাদের জনগণের অনুভূতি প্রকাশের অধিকার আমার রয়েছে।

বাংলাদেশিরা আমাদের ভাই, প্রকৃতই তারা আমাদের ভাই। বাংলাদেশিরা আমাদের সবসময় সমর্থন জানিয়ে এসেছে। কিন্তু পাসপোর্ট ইস্যুটি এমন একটা সময় সামনে এসেছে যা ইসরাইলকে একটি ভুল বার্তা দিয়েছে। মাত্রই সারা বিশ্বের চোখের সামনে ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের উপর চরম নৃশংসতা চালিয়েছে, নারী ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করেছে। ইসরাইলিরা এটাকে একটা পুরস্কার হিসেবে নিয়েছে। এটা যদিও কোনো পুরস্কার নয়, কিন্তু তারা সেটাই ধরে নিয়েছে এবং সেভাবেই এটাকে ব্যবহার করেছে। আর এটা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকেও ইসরাইলের ভেতরে আরো জনপ্রিয়তা অর্জনে সাহায্য করবে যিনি শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিপক্ষে কাজ করছেন, ফিলিস্তিনি শিশুদের বিরুদ্ধে, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করছেন। আর এসব কারণেই আমি হতাশ হয়েছি, কষ্ট পেয়েছি, এখনও পাচ্ছি এবং কেউ এই অনুভূতি পরিবর্তন করতে পারবে না। এটাই বাস্তবতা, এটাই সত্য। আমি মনে করি বাংলাদেশের বেশিরভাগ ভাই-বোনদের অনুভূতিও আমার মতোই।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ করে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যাখ্যার বিষয়ে আমি বলবো, আমি তার বক্তব্যকে সুস্বাগত জানাই। এই ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য তাকে আমি ধন্যবাদ জানাই। অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিনকেও ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য ধন্যবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই ফিলিস্তিনকে সবসময় পূর্ণ সমর্থন দেয়ার জন্য। আশা করি আমি আমার অবস্থান স্পষ্ট করেছি। এটা নিয়ে আর কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে না।

মানবজমিন: এখন বাংলাদেশের কাছ থেকে কি প্রত্যাশা করেন?
রাষ্ট্রদূত: বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ জানাচ্ছি, সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য। সেটা ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য একটা বড় সমর্থন হবে। আশা করি বাংলাদেশের পাসপোর্টে সবসময়
‘ইসরাইল ব্যতীত’ কথাটি উল্লেখ থাকবে। এটা ফিলিস্তিন, ইসরাইল তথা গোটা বিশ্বকে স্পষ্ট বার্তা দেবে যে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশ অন্যান্য অনেক মুসলিম দেশগুলোর (যাদের পাসপোর্টে
‘ইসরাইল ব্যতীত’ কথাটি উল্লেখ আছে) মতো তার নীতি, তার অবস্থান ধরে রেখেছে। এটা আমার আন্তরিক অনুরোধ। আমি বিষয়টা বাংলাদেশের শীর্ষনেতৃত্বের ওপর ছেড়ে দিচ্ছি।
মানবজমিন: সমপ্রতি কিছু মুসলিম দেশতো ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক ‘স্বাভাবিক’ করেছে। এ ব্যাপারে কি বলবেন?
রাষ্ট্রদূত: এটা সত্যি দুর্ভাগ্যজনক। আমরা এটাকে ‘পেছনে ফিরে’ যাওয়া হিসেবে ধরে নিয়েছি। কিন্তু বাংলাদেশের বিষয়টা ভিন্ন। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের জনগণ ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়বিচারের প্রশ্নে দৃঢ় সমর্থন দিয়ে আসছে। নানাভাবে তারা এটা বুঝিয়েছে। বাংলাদেশিরা এমনকি আমাদের হয়ে যুদ্ধ পর্যন্ত করেছে। অনেকে ফিলিস্তিনকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের জীবন পর্যন্ত দিয়েছে। ওইসব আরব দেশগুলোতো এসব করেনি। সুতরাং পার্থক্যটা পরিষ্কার। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেখানে সরকার জনগণের কথা শুনে। আর জনগণের ভাষা হলো ফিলিস্তিনকে সমর্থন করতে হবে। আশা করি বাংলাদেশের সরকার তার জন আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।


মানবজমিন: আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান বলে জানিয়েছিলেন…মানবজমিন: আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান বলে জানিয়েছিলেন…
রাষ্ট্রদূত: তিনি খুব ব্যস্ত মানুষ। তার সাক্ষাৎ প্রাপ্তির অপেক্ষা করছি।
মানবজমিন: সাক্ষাৎ পেলে তাকে আপনি কি বলতে চান?
রাষ্ট্রদূত: আমি পাসপোর্ট ইস্যুটি তার কাছে তুলবো। পরিবেশের উপর নির্ভর করবে কি আলোচনা হবে।
মানবজমিন: অনেকেইতো বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে যদি যোগাযোগই না থাকে তাহলে কীভাবে কোনো দেশ ফিলিস্তিনের পক্ষে তার সঙ্গে কথা বলতে পারবে অথবা দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতায় ভূমিকা রাখতে পারবে…
রাষ্ট্রদূত: ওসব অযৌক্তিক কথা। ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যু বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। এটা ন্যায়ের সঙ্গে অন্যায়, ভালোর সঙ্গে খারাপ, সত্যের সঙ্গে মিথ্যার প্রশ্ন। কেউ এখানে মাঝামাঝি অবস্থান নিতে পারে না। বাংলাদেশের অবস্থান ভালো-খারাপের মাঝামাঝি হতে পারে না। সুদীর্ঘ ৫১ বছর ধরে বাংলাদেশ সত্যের পক্ষে, ন্যায়ের পক্ষে রয়েছে।
মানবজমিন: ইসরাইল ফিলিস্তিনের মধ্যে মধ্যস্ততা করার জন্য কারা ভূমিকা রাখতে পারে বলে আপনি প্রত্যাশা করেন?
রাষ্ট্রদূত: যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, চীন, জাতিসংঘ গত ২৬ বছর ধরে এই কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র দ্বিমুখী নীতি পালন করছে, শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশতো এক্ষেত্রে কিছুই করতে পারবে না।
মানবজমিন: ইদানীং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সুর কিছুটা পাল্টেছেন বলা হচ্ছে…
রাষ্ট্রদূত: যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সবসময়ই ইসরাইলের পক্ষে। ইসরাইলের জন্মের পর থেকেই। অন্যদিকে আমাদের রয়েছে মুসলিম ভাইদের সমর্থন। সেজন্যই বলছি, দ্বিমুখী নীতি অন্য কারো কাছ থেকে এলে সেটা কষ্টের নয়। কিন্তু বাংলাদেশি ভাইদের কাছ থেকে এলে সেটা অপ্রত্যাশিত আর কষ্টের।


মানবজমিন: অনেক ফিলিস্তিনি এবং তাদের সমর্থক বলছেন, এবারের যুদ্ধে ফিলিস্তিন জয়ী হয়েছে। সত্যিই কি তাই?
রাষ্ট্রদূত: এ ব্যাপারে বাস্তবতা অনুধাবন করা প্রয়োজন। এই ইস্যুতে সত্যিকারে একমাত্র ‘শয়তান’ জয়ী হয়েছে। আমাদের ৬৯ টি শিশু মারা গেছে। আমরা বহু মা-বোন-স্ত্রী, বৃদ্ধ-তরুণকে হারিয়েছি। আমরা কীভাবে নিজেদের বিজয়ী বলতে পারি! আমরা কোনো ভূমি পুনরুদ্ধার করতে পারিনি, নতুন করে কোনো ভূমি জয়ও করতে পারিনি। আমাদের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার নিজ স্বার্থের জন্য, সরকার গঠনের জন্য, ইসরাইলের ভেতরে জনপ্রিয়তা লাভের জন্য এটা করেছিলেন। নিজের জনগণকে দেখাতে চেয়েছিলেন যে, তিনিই তাদের সেরা প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি-ই তাদের নিরাপত্তা দিতে পারেন। কিন্তু তিনি তার উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারেননি। এটাই একমাত্র আমাদের বিজয়। তিনি কিছুই অর্জন করতে পারেননি। তিনি তার জনগণকে রক্ষা করতে পারেননি। তাই তিনি হেরে গেছেন। তিনি পরাজিত। আমরা তাই বলবো, আমরা জয়ী হয়নি কিন্তু তিনি হেরে গেছেন।
মানবজমিন: ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসের ‘অর্থ সংগ্রহ’ করা নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলছেন…
রাষ্ট্রদূত: আমরা কোন অর্থ সংগ্রহ করতে চাইনি। ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে প্রায় ২১ হাজার ই-মেইল, ফোন কল ইত্যাদি এসেছে অর্থ সাহায্য করার জন্য। তারা জোর অনুরোধ জানিয়েছে। আমরা তাদের চিনিও না। এক সময় তারা দূতাবাসে আসা শুরু করে। করোনার জন্য আমরা তাদের দূরত্ব বজায় রাখতে বলি। আমরা বিকাশ নাম্বার দিই, ব্যাংক একাউন্ট খুলি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ, তারা বেশ সাহায্য করেছেন। অনেকে ঔষধ দিতে চান। আমরা তাদেরকে বলি আমাদের ঔষধের প্রয়োজন নেই। আমাদের মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট প্রয়োজন।
মানবজমিন: পাঠকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে চান?
রাষ্ট্রদূত: বাংলাদেশের জনগণকে বারবার ধন্যবাদ জানাতে চাই। আপনাদের ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারবো না। কে কতো দিলো সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এতো মানুষ আমাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন এটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। আমি ৫ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ বা ২০০ টাকা সাহায্য করা লোকদের বিশেষ ধন্যবাদ দিতে চাই। অনেকের কাছে হয়তো এটা সামান্য পরিমাণ, কিন্তু তাদের কাছে এটাই অনেক কিছু। তাদের সন্তানের জন্য খরচ না করে তারা সেটা আমাদের দিয়েছে। তাদের এই সাহায্য আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। তাদের অনেকে জানায়- এর বেশি আমার আর করার নেই, প্লিজ মাফ করবেন। তাদেরকে ধন্যবাদ বা কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই।
সৌজন্যে: মানব জমিন।

নিউজ

সম্পরকিত প্রবন্ধ

Back to top button
Close
Close