নিউজ

মাওলানা ভাসানীর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত: জাতির মুক্তির জন্য আজ একজন মাওলানা ভাসানী প্রয়োজন – ভিপি নুর

ঢাকা, ২০ নভেম্বর – গত ১৭ নভেম্বর ছিলো কিংবদন্তি রাজনৈতিক নেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠন সারাদেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিলো মাওলানা ভাসানীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, কুরআন খতম, গণভোজ, রক্তদান কর্মসূচী, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, আধ্যাত্মিক গান, ভাসানীর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা ইত্যাদি। টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি।
মাওলানা ভাসানী স্মরণে আয়োজিত এক সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, জাতির মুক্তির জন্য আজ একজন মাওলানা ভাসানীর মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের খুব বেশী প্রয়োজন। বাংলাদেশের বর্তমান ক্রান্তিকালের চিত্র তুলে তিনি বলেন, দেশে যেভাবে অরাজকতা চলছে, তাতে সর্বস্তরের মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত। এর থেকে উত্তরণের জন্য জাতির কা-ারী হিসেবে তাঁর মতো একজন নেতার আমাদের দরকার। আমরা এই প্রজন্মের কাছে মাওলানা ভাসানীর আদর্শকে নতুন করে পৌঁছে দিতে চাই।
স্বাধীন বাংলাদেশের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ছিলেন, যে দলটি পরবর্তী সময়ে নাম বদল করে হয়েছে আওয়ামী লীগ। তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি বামপন্থী রাজনৈতিক দলও গঠন করেছিলেন।
সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ সাধারণ মানুষের এই নেতা তার প্রায় পুরোটা জীবন নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। পেয়েছিলেন ‘মাজলুম জননেতা’ উপাধি।
ইসলামের প্রতি ভাসানীর প্রতিশ্রুতি তাকে ধর্মান্ধ করে তোলেনি। বাংলাদেশের পক্ষে অসাম্প্রদায়িক সংগ্রামে তার বিশ্বাস ছিল দ্ব্যর্থহীন।
সাধারণ মানুষের এই নেতা ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯৬ বছর বয়সে মারা যান। তাকে টাঙ্গাইলের সন্তোষে সমাধিস্থ করা হয়।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

Back to top button
Close
Close